দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইদানীং আশপাশের মানুষের আচরণে বিরক্ত লাগছে? সামান্য অসুবিধাতেই মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে? এমনটা হলে বিষয়টিকে শুধু স্বভাবের সমস্যা হিসেবে না দেখে এর কারণ খুঁজে দেখা জরুরি। কারণ, খিটখিটে মেজাজ দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক ও কর্মক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের ঘাটতি থেকে শুরু করে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ বিভিন্ন কারণে মানুষের মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে। জেনে নেওয়া যাক সম্ভাব্য কারণগুলো—
অপর্যাপ্ত ঘুম
পর্যাপ্ত ও ভালো মানের ঘুম না হলে ক্লান্তি, আবেগপ্রবণতা ও হতাশা বাড়তে পারে। ঘুমের ঘাটতি মেজাজ ও মনোযোগেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ক্রমাগত মানসিক চাপ
কাজের চাপ, আর্থিক উদ্বেগ, সম্পর্কের সমস্যা কিংবা নানা দায়িত্ব দীর্ঘসময় ধরে মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। এতে ছোটখাটো সমস্যাও অনেক বড় বলে মনে হতে পারে।
মানসিক অতিরিক্ত চাপ
একসঙ্গে অনেক কাজ, বার্তা, সিদ্ধান্ত ও দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে মানসিক শক্তি কমে যেতে পারে। তখন সাধারণ অনুরোধও বিরক্তিকর মনে হতে পারে।
অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম
দীর্ঘসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, খবর বা অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্টে ব্যস্ত থাকলে মস্তিষ্কের ওপর উদ্দীপনা বাড়তে পারে। পাশাপাশি ঘন ঘন নোটিফিকেশন ও বাধা মানসিক বিশ্রামের সুযোগ কমিয়ে দিতে পারে।
খাবার বাদ দেওয়া বা অপুষ্টি
দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে অনেকের ক্লান্তি, ক্ষুধা ও খিটখিটে ভাব দেখা দিতে পারে। সুষম খাবার শরীরে দিনভর স্থিতিশীল শক্তি বজায় রাখতে সহায়তা করে।
শারীরিক কার্যকলাপের অভাব
নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ মেজাজ ভালো রাখতে এবং মানসিক চাপ সামলাতে সহায়তা করে। দীর্ঘসময় বসে থাকা ও পর্যাপ্ত নড়াচড়া না করার ফলে ক্লান্তি ও অস্থিরতা বাড়তে পারে।
নিজের জন্য সময়ের অভাব
একটানা কাজ, অন্যের যত্ন নেওয়া কিংবা সবসময় ফোনে যুক্ত থাকার কারণে অনেকে পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত সময় পান না। নিয়মিত বিরতি ও বিশ্রামের অভাবে ধীরে ধীরে মানসিক শক্তি কমে যেতে পারে।
তাই মেজাজ খিটখিটে থাকার প্রবণতা নিয়মিত দেখা দিলে ঘুম, খাবার, কাজের চাপ ও দৈনন্দিন অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। দীর্ঘদিন সমস্যা চলতে থাকলে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
যে আই